অপরাধ

বরগুনায় এয়ারগান দিয়ে বিলুপ্তপ্রায় ডাহুক শিকার: কারারক্ষীর বিরুদ্ধে তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি!

Published

on

বরগুনায় এয়ারগান ব্যবহার করে বিলুপ্তপ্রায় ডাহুক প্রজাতির একটি পাখি শিকারের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ ও মানবাধিকার সংশ্লিষ্টরা।অভিযোগ অনুযায়ী, ছবিতে দেখা যাওয়া অর্ধমৃত ডাহুক পাখিটি এয়ারগান দিয়ে শিকার করা হয়েছে। পাখিটি হাতে থাকা ব্যক্তি বরগুনা কারাগারের কারারক্ষী রফিকুল ইসলাম বলে দাবি করা হচ্ছে। এ সময় তার সঙ্গে আরেক কারারক্ষী হাফিজ, যিনি ‘রক্তচোষা হাফিজ’ নামে পরিচিত বলেও অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২-এর ধারা ৩৮ (১) অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রয়েছে। তারা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।অভিযোগে আরও বলা হয়, কারাগারের অভ্যন্তরে ক্যামেরা বা রেকর্ডিং ব্যবস্থার অভাব এবং সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু কারারক্ষী দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত থাকলেও প্রমাণের অভাবে পার পেয়ে যাচ্ছেন।

বন্দীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক সিগারেট ও চাঁদা আদায়, নিম্নমানের খাবার সরবরাহ, কারা ক্যান্টিনে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি এবং এসবের প্রতিবাদ করলে কেস টিকেটে নেতিবাচক রিপোর্ট ও নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে।স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, “কারাগারের ভেতরের দুর্নীতিই শুধু নয়, এখন সেই লোভী থাবা প্রকৃতি ও বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীর ওপরও পড়ছে। এটি অত্যন্ত ভয়ংকর ও লজ্জাজনক।”তারা মনে করেন, বন্যপ্রাণী নিধনের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস পাবে না। একই সঙ্গে কারাগারের ভেতরের অনিয়ম ও নির্যাতন তদন্তে কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা চালুরও দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments

Trending

Exit mobile version