আন্তর্জাতিক

ইরান হামলা ঘিরে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে কংগ্রেসে জোর তৎপরতা

Published

on

ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক হামলার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে জোরালো হয়েছে সাংবিধানিক ক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক। প্রেসিডেন্টের একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করে কংগ্রেসে ভোট আনার উদ্যোগ নিয়েছে ডেমোক্রাটনরা, যাতে ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতার পরিধি নির্দিষ্টভাবে সীমিত করা যায়।ওয়াশিংটন থেকে জানা গেছে, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অবস্থানরত আইনপ্রণেতাদের দ্রুত রাজধানীতে ফিরিয়ে এনে এ বিষয়ে ভোটগ্রহণের দাবি তুলছেন একাধিক কংগ্রেস সদস্য। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের হুমকিকে বাড়িয়ে দেখিয়ে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছেন, যা “অবৈধ ও অসাংবিধানিক”।

এক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতার ভাষ্য, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুদ্ধসংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়া সংবিধানের পরিপন্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আরেকটি “অন্তহীন সংঘাতে” জড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করছে। তাদের মতে, অবিলম্বে কংগ্রেসের অধিবেশন ডেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা জরুরি।মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে। তবে ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ প্রেসিডেন্টকে সীমিত পরিসরে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দেয়, শর্ত হলো—কংগ্রেসকে দ্রুত অবহিত করতে হবে এবং অনুমোদন না পেলে ৬০ দিনের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।সমালোচকদের প্রশ্ন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আক্রমণের মুখে পড়েছে—এমন কোনো স্পষ্ট প্রমাণ কি দেখানো হয়েছে? তাদের দাবি, সেই যুক্তি প্রতিষ্ঠা না করেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়েছে।হোয়াইট হাউসের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ইরান প্রশ্নে সামরিক পদক্ষেপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার ভারসাম্য ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে যে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনগুলোতে আরও তীব্র হতে পারে।সূত্র: আলজাজিরা

Facebook Comments

Trending

Exit mobile version