সর্বশেষ

বিড়ালকে বাঁচাতে গিয়ে তিন তলা থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

Published

on

গৃহবধূ বন্যা কস্তার সন্তান নেই। শখের পোষা বিড়াল নিয়ে সময় কাটত তার। সারা দিন সন্তানের মতো আদর-যত্নে আগলে রাখতেন প্রিয় বিড়ালটিকে। সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে ঘুম থেকে উঠে বিড়ালটিকে ঘরের ভেতর দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করেন। বাসায় না পেয়ে বিড়ালকে খুঁজতে বাসার ছাদে যান। বিড়ালটিকে দেখতে পান ছাদের কার্নিসে।বিড়ালটিকে ওপরে তোলার চেষ্টা করেন বন্যা। সম্ভব হয়নি। পরে নিজেই ঝুঁকি নিয়ে কার্নিসে নামেন। অসাবধানতাবশত পা পিছলে যায়। পড়ে যান তিন তলার ছাদের কার্নিস থেকে।প্রতিবেশীরা বন্যাকে উদ্ধার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঢাকার শাহজাদপুর বন্যার ভাড়া বাসা এলাকায় সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।বন্যা কস্তা নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের আদগ্রামের সুশান্ত কস্তার মেয়ে ও একই ইউনিয়নের বোর্ণী টুনিপাড়ার শোভন পালমার স্ত্রী।বন্যা কস্তার ফুফু লাভলী কস্তা জানান, বন্যা কস্তা ঢাকার শাহজাদপুরে তার স্বামীসহ তিনতলার একটি ফ্লাটে ভাড়া থাকত। তার সবচেয়ে প্রিয় একটি পোষা বিড়াল ছিল। সেই বিড়ালটিকে নিয়ে তার সময় কাটত। ভোরে ঘরের ভেতর বিড়ালটি দেখতে না পেয়ে ছাদে যায় খুঁজতে। সেখানে বিড়ালটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে দেখতে পেয়ে তাকে হাত দিয়ে নামাতে গেলে পা পিছলে নিচে পড়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হয় সে। তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ঢাকায় তার মরদেহের ময়না তদন্ত করা হয়।মঙ্গলবার সকালে বড়াইগ্রামের জোনাইল বোর্ণী খ্রিষ্টান কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম বলেন, ‘ঢাকায় বন্যা কস্তার মৃত্যুর সংবাদটি তিনি লোকমুখে শুনেছেন। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।’

Facebook Comments

Trending

Exit mobile version