Uncategorized

ইরানের আরাক পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলা

Published

on

রাজধানী তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ইরানের আরাক পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। দেশটির মারকাজি প্রদেশের এই স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন এক কর্মকর্তা। তবে আগে থেকে নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার করণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্সের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।হামলা চালানোর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ফারসি ভাষায় এক সতর্কবার্তা দিয়ে আরাক শহরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং পারমাণবিক স্থাপনার কাছাকাছি খির আবাদ শিল্প এলাকায় থাকা বেসামরিক লোকজনকে সরে যেতে বলে। তারা জানায়, ওই এলাকায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। যদিও নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্যবস্তুর নাম উল্লেখ করা হয়নি।আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে আরাক হেভি ওয়াটার প্ল্যান্টটি অন্যতম। তবে ওই হামলার পর থেকে পুনরায় চুল্লিটির নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছিল তেহরান।বিশ্লেষকদের মতে, আরাক পারমাণবিক স্থাপনার নির্মাণ পরিকল্পনা শুরু থেকেই ইসরায়েল ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। কারণ, এই ধরনের ভারী পানি রিঅ্যাক্টর থেকে প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করা সম্ভব, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হতে পারে।এ কারণে ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি অনুযায়ী ইরান এই স্থাপনাটির নকশা পরিবর্তনে রাজি হয়, যাতে প্লুটোনিয়াম উৎপাদনের পথ বন্ধ করা যায়।এর আগে, ইরানে পারমাণবিক দুর্ঘটনা এড়াতে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানায় আইএইএ। মঙ্গলবার দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে একটি হামলার খবরের পর সতর্ক করল জাতিসংঘের সংস্থাটি।এক বিবৃতিতে আইএইএ বলেছে, ‘যেহেতু এটি বিপুল পরিমাণ পারমাণবিক উপাদানসহ একটি সক্রিয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, এই স্থাপনার কোনো ক্ষতি হলে ইরান ও তার বাইরের একটি বিশাল এলাকাজুড়ে বড় ধরনের তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

Facebook Comments

Trending

Exit mobile version