Connect with us
Porikromanews 728x60 Banner

রাজনীতি

বিএনপি নেতাদের কুপিয়ে জখমের ঘটনায় পৌর জামায়াতের আমির গ্রেফতার

Published

on

বরগুনা:আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় রাজনৈতিক সহিংসতা উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর পাথরঘাটা পৌর শাখার আমির বজলুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) সকালে পাথরঘাটা পৌর শহরের ঈমান আলী সড়কে অবস্থিত তার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমির হোসেন।পুলিশ জানায়, বিএনপি নেতাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বজলুর রহমান এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।এদিকে, এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্রবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পাথরঘাটার বিভিন্ন এলাকায় যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে বিএনপি, জামায়াত ও তাদের অঙ্গসংগঠনের অন্তত ১১ জন নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা-২ সংসদীয় আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে পাথরঘাটায় জামায়াত ও বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখাকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে কুপিয়ে জখম, পাল্টাপাল্টি হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এসব ঘটনায় উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সর্বশেষ হামলার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।পাথরঘাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমির হোসেন বলেন,“গ্রেফতার অভিযান কোনো দলীয় বিবেচনায় নয়, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের ধরতেই পরিচালিত হচ্ছে। আইনের ঊর্ধ্বে কাউকে রাখা হচ্ছে না।”বরগুনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন,“আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যৌথবাহিনীর নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতেও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”এদিকে, রাজনৈতিক সহিংসতায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা দ্রুত স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

💬 Click to view comments