Connect with us
Porikromanews 728x60 Banner

আন্তর্জাতিক

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’!

Published

on

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বহু শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে থেকে আকস্মিক মুহুমুহু হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুইটির যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। সেইসঙ্গে ইরানের শীর্ষ আরও অনেক নেতা ও কমান্ডার নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর নেপথ্যে রয়েছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব। দেশ দুইটির চাপেই ইরানে হামলা শুরু হয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। রয়টার্স বলছে, ইরানে হামলা না করার জন্য সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে কূটনীতিকে সমর্থন দিতেন এবং বলতেন, তেহরানে হামলা চালানোর জন্য সৌদির ভূখণ্ড ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানে হামলা নিয়ে ভিন্ন কথা বলতেন সৌদি যুবরাজ। তিনি ট্রাম্পকে সতর্ক করতেন, ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে পরিণতি খারাপ হবে। দুইটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে খামেনি নিরাপদ একটি স্থানে তার দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি এবং আলি শামখানির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এরপরেই সেখানে অতর্কিত হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে ওয়াশিংটিন পোস্ট, তেহরানে হামলা ইস্যুতে সৌদি ও ইসরায়েলের একই অবস্থানের জন্য তাদেরকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।রিপোর্টে বলেছে, দেশ দুইটির এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল-সৌদির চাপেই ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরু করেছে। ইরানে হামলা শুরুর করার জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ। অথচ প্রকাশ্যে তিনি ভিন্ন কথা বলতেন। যুবরাজ সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে বলেছিলেন, তেহরানে হামলার জন্য সৌদি আরব তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের যুবরাজ বলতেন, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন যদি তাদের উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি ব্যবহার না করে, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যুবরাজের ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাইভেট বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছিলেন। যুবরাজ সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে তিনি তেহরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন।সর্বশেষ, ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।

💬 Click to view comments