Connect with us
Porikromanews 728x60 Banner

সর্বশেষ

টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে এলো ১০ রোহিঙ্গা

Published

on

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে নতুন করে একদল রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) ভোরে নাফ নদী পেরিয়ে শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত দিয়ে তারা দেশে ঢুকে উখিয়ার জামতলী শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। অনুপ্রবেশকারী ১০ জনের মধ্যে ৭ জনই শিশু।সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ সলিম।তিনি জানান, ভোরের দিকে সীমান্ত পেরিয়ে আসা একটি পরিবার বর্তমানে তার ক্যাম্পে অবস্থান করছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে রয়েছেন ছমুদা (১৮), সাবেকুন্নাহার (১৫), মো. সলিম (১৩), জবিউল্লাহ (১২), মো. আনোস (১১), জিয়াবুর রহমান (১০), শায়েকা (৮), উম্মে হাবিবা (৭), মো. ইসমাইল (৬) ও রেহেনা (৫)।এদিকে, দীর্ঘ ৯ বছরেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠছে।সাম্প্রতিক সময়েই নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। সীমান্তের ওপারে আরো অনেকে অপেক্ষমাণ রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর মিলেছে।শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সীমান্ত এলাকায় রোহিঙ্গাদের জড়ো হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। তবে প্রত্যাবাসন নিয়ে এখনো কার্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যদিও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।উখিয়ার একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ জুবাইর বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে এখনো নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। সেখানে রোহিঙ্গাদের ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে, ফলে তারা বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়ছে। একই সঙ্গে শরণার্থী শিবিরেও জীবনযাপন দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে বলেও তিনি জানান।অন্যদিকে, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, নতুন অনুপ্রবেশের বিষয়টি তিনি এখনো নিশ্চিত নন এবং বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার জেরে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩২টি শরণার্থী শিবিরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

💬 Click to view comments