Connect with us
Porikromanews 728x60 Banner

সর্বশেষ

গলাচিপায় খেয়াঘাট দখল: আদালতে মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ!

Published

on

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার হরিদেবপুর খেয়াঘাট জোরপূর্বক দখল এবং ইজারাদারের লোকজনকে মারধরের ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার পটুয়াখালী আদালতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নাইমুল ইসলাম এ মামলা করেন।আদালতের বিচারক নওরীন আহমেদ অভিযোগটি গ্রহণ করে বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মাসুদ হোসেন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার এজাহারে সোহেল আকন (৪০), গলাচিপা ছাত্র অধিকার পরিষদের তরিকুল ইসলামসহ মোট ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।এর আগে গত ১৮ মার্চ একই ঘটনায় গলাচিপা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও তা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, ১৭ মার্চ রাত ১০টার দিকে হরিদেবপুর এলাকায় প্রভাবশালী একটি মহল খেয়াঘাটের ব্যবস্থাপক দীপু সাহাসহ কয়েকজনকে মারধর করে জোরপূর্বক ঘাট দখল করে নেয়। এ সময় ক্যাশ টেবিলে থাকা টোলের প্রায় ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার সময় সেনাবাহিনী ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও খেয়াঘাটটি দখলমুক্ত করা হয়নি বলে জানা গেছে।হামলার শিকার ব্যবস্থাপক দীপু সাহা অভিযোগ করেন, সোহেল আকন ও তালেবের নেতৃত্বে শতাধিক লোক এসে তাদের মারধর করে এবং টোলের টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ঘাট থেকে বের করে দেয়। নিরাপত্তার অভাবে তারা বর্তমানে ঘাটে যেতে পারছেন না।ইজারাদার শিবু লাল দাস জানান, জেলা পরিষদের মাধ্যমে বৈধভাবে তিনি খেয়াঘাটটির ইজারা পেয়েছেন, যার মেয়াদ আগামী ৩০ চৈত্র পর্যন্ত রয়েছে। কিন্তু দখলকারীরা জোর করে ঘাট দখল করে টোল আদায় করছেন।অভিযোগ রয়েছে, দখলে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিরা অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও দখলের সময় তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকের নাম ব্যবহার করেছেন।তবে এ বিষয়ে সোহেল আকন দাবি করেন, ‘জনগণের স্বার্থে মন্ত্রী মহোদয় খাস আদায়ের মাধ্যমে পাঁচ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করেছেন।’ প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশ ছিল কি না—এ প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।এদিকে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।ঘটনার পরদিন প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের বলেন, খেয়াঘাট দখলকারীরা অতীতে তার বিরোধিতা করলেও পরে বিভিন্ন বিষয়ে তার কাছে এলেও তিনি কোনো বেআইনি দাবি মেনে নেননি এবং আইনের বাইরে কিছু না করতে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা ও দখলমুক্তির দাবি জোরালো

💬 Click to view comments