বিশেষ সংবাদ
ঈদে ৯ বছরে তিনি একবারও ছুটি কাটাননি
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাপ্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে ব্যাংকের দীর্ঘ লাইনের ঝামেলা এড়াতে মানুষ ক্রমেই ঝুঁকছেন এটিএম বুথের দিকে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা এই সেবার পেছনে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন একদল মানুষ—যাঁদের ঈদ মানেই দায়িত্ব, ছুটি নয়।তেমনই একজন সারোয়ার হোসেন। নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থেকে জীবিকার সন্ধানে ঢাকা শহরে আসা এই নিরাপত্তাকর্মী গত ৯ বছরে একবারও ঈদের ছুটি পাননি। রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় একটি ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।দীর্ঘ দায়িত্ব, অল্প পারিশ্রমিকসারোয়ারের প্রতিদিনের কর্মঘণ্টা প্রায় ১৬ ঘণ্টা। সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে তাঁর ডিউটি। এর মধ্যে ৮ ঘণ্টা ওভারটাইম করে অতিরিক্ত পান মাত্র ২৪০ টাকা। মাসিক বেতন প্রায় ৯ হাজার টাকা—যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন বলেই জানান তিনি।“পরিশ্রম বেশি হলেও ওভারটাইম করতেই হয়। না হলে পরিবার চালানো সম্ভব না,” বলেন সারোয়ার।পরিবার থেকে দূরে ঈদতিন মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে দেখা হয়নি তাঁর। স্ত্রী, ৯ মাস বয়সী সন্তান, মা-বাবা ও ভাইবোন গ্রামেই থাকেন। ঈদ উপলক্ষে তিনি টাকা পাঠালেও পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ হয় না।“আগে কিছু বলত না, এখন ছেলে হওয়ার পর স্ত্রী চায় একসঙ্গে ঈদ করতে,”—কথাগুলো বলার সময় কণ্ঠে ছিল চাপা কষ্ট।একই চিত্র সহকর্মীদের মাঝেওশুধু সারোয়ার নন, তাঁর সহকর্মীদের অবস্থাও প্রায় একই। কেউ কেউ বছরে একটি ঈদে ছুটি পান, আবার কেউ নিশ্চিত নন আদৌ ছুটি পাবেন কি না। নতুন যোগ দেওয়া কর্মীরাও ঈদের দিন দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন।এক সহকর্মী বলেন, “কর্মকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। দায়িত্বই আগে।”ঈদেও সচল জরুরি সেবাসমাজের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবা চালু রাখতে ঈদের দিনও কাজ করে যাচ্ছেন অনেকেই। ট্রাফিক পুলিশ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, এমনকি পরিবহন চালকরাও ছুটিহীন দায়িত্ব পালন করেন।একজন চিকিৎসক জানান, রোগীদের সেবা দেওয়া তাঁদের প্রথম দায়িত্ব। ঈদের দিনেও হাসপাতালে চিকিৎসক উপস্থিত থাকেন, যাতে রোগীরা কোনোভাবে বঞ্চিত না হন।অন্যদিকে, সংবাদকর্মীরাও ব্যস্ত থাকেন তথ্যপ্রবাহ সচল রাখতে। তাঁদের কাছে ঈদ মানে কাজ ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা।ত্যাগের মধ্যেই উৎসবের অর্থঈদের আনন্দ সবার জন্য সমান নয়—এ বাস্তবতাই সামনে এনে দেয় সারোয়ারদের গল্প। পরিবার থেকে দূরে থেকেও দায়িত্ব পালন করে তাঁরা নিশ্চিত করেন অন্যদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা।সারোয়ার হোসেনের মতো হাজারো মানুষ নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন, যাঁদের ত্যাগের ওপরই নির্ভর করছে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। হয়তো আগামী কোনো ঈদে তিনি ফিরবেন পরিবারের কাছে—এই আশাতেই কাটছে তাঁর দিন।ঈদেও দায়িত্বে অবিচল: ৯ বছর ধরে ছুটি ছাড়া কাজ করছেন নিরাপত্তাকর্মী সারোয়ারনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাপ্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে ব্যাংকের দীর্ঘ লাইনের ঝামেলা এড়াতে মানুষ ক্রমেই ঝুঁকছেন এটিএম বুথের দিকে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা এই সেবার পেছনে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন একদল মানুষ—যাঁদের ঈদ মানেই দায়িত্ব, ছুটি নয়।তেমনই একজন সারোয়ার হোসেন। নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থেকে জীবিকার সন্ধানে ঢাকা শহরে আসা এই নিরাপত্তাকর্মী গত ৯ বছরে একবারও ঈদের ছুটি পাননি। রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় একটি ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।দীর্ঘ দায়িত্ব, অল্প পারিশ্রমিকসারোয়ারের প্রতিদিনের কর্মঘণ্টা প্রায় ১৬ ঘণ্টা। সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে তাঁর ডিউটি। এর মধ্যে ৮ ঘণ্টা ওভারটাইম করে অতিরিক্ত পান মাত্র ২৪০ টাকা। মাসিক বেতন প্রায় ৯ হাজার টাকা—যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন বলেই জানান তিনি।“পরিশ্রম বেশি হলেও ওভারটাইম করতেই হয়। না হলে পরিবার চালানো সম্ভব না,” বলেন সারোয়ার।পরিবার থেকে দূরে ঈদতিন মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে দেখা হয়নি তাঁর। স্ত্রী, ৯ মাস বয়সী সন্তান, মা-বাবা ও ভাইবোন গ্রামেই থাকেন। ঈদ উপলক্ষে তিনি টাকা পাঠালেও পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ হয় না।“আগে কিছু বলত না, এখন ছেলে হওয়ার পর স্ত্রী চায় একসঙ্গে ঈদ করতে,”—কথাগুলো বলার সময় কণ্ঠে ছিল চাপা কষ্ট।একই চিত্র সহকর্মীদের মাঝেওশুধু সারোয়ার নন, তাঁর সহকর্মীদের অবস্থাও প্রায় একই। কেউ কেউ বছরে একটি ঈদে ছুটি পান, আবার কেউ নিশ্চিত নন আদৌ ছুটি পাবেন কি না। নতুন যোগ দেওয়া কর্মীরাও ঈদের দিন দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন।এক সহকর্মী বলেন, “কর্মকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। দায়িত্বই আগে।”ঈদেও সচল জরুরি সেবাসমাজের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবা চালু রাখতে ঈদের দিনও কাজ করে যাচ্ছেন অনেকেই। ট্রাফিক পুলিশ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, এমনকি পরিবহন চালকরাও ছুটিহীন দায়িত্ব পালন করেন।একজন চিকিৎসক জানান, রোগীদের সেবা দেওয়া তাঁদের প্রথম দায়িত্ব। ঈদের দিনেও হাসপাতালে চিকিৎসক উপস্থিত থাকেন, যাতে রোগীরা কোনোভাবে বঞ্চিত না হন।অন্যদিকে, সংবাদকর্মীরাও ব্যস্ত থাকেন তথ্যপ্রবাহ সচল রাখতে। তাঁদের কাছে ঈদ মানে কাজ ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা।ত্যাগের মধ্যেই উৎসবের অর্থঈদের আনন্দ সবার জন্য সমান নয়—এ বাস্তবতাই সামনে এনে দেয় সারোয়ারদের গল্প। পরিবার থেকে দূরে থেকেও দায়িত্ব পালন করে তাঁরা নিশ্চিত করেন অন্যদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা।সারোয়ার হোসেনের মতো হাজারো মানুষ নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন, যাঁদের ত্যাগের ওপরই নির্ভর করছে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। হয়তো আগামী কোনো ঈদে তিনি ফিরবেন পরিবারের কাছে—এই আশাতেই কাটছে তাঁর দিন।ঈদেও দায়িত্বে অবিচল: ৯ বছর ধরে ছুটি ছাড়া কাজ করছেন নিরাপত্তাকর্মী সারোয়ারনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাপ্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে ব্যাংকের দীর্ঘ লাইনের ঝামেলা এড়াতে মানুষ ক্রমেই ঝুঁকছেন এটিএম বুথের দিকে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা এই সেবার পেছনে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন একদল মানুষ—যাঁদের ঈদ মানেই দায়িত্ব, ছুটি নয়।তেমনই একজন সারোয়ার হোসেন। নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থেকে জীবিকার সন্ধানে ঢাকা শহরে আসা এই নিরাপত্তাকর্মী গত ৯ বছরে একবারও ঈদের ছুটি পাননি। রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় একটি ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।দীর্ঘ দায়িত্ব, অল্প পারিশ্রমিকসারোয়ারের প্রতিদিনের কর্মঘণ্টা প্রায় ১৬ ঘণ্টা। সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে তাঁর ডিউটি। এর মধ্যে ৮ ঘণ্টা ওভারটাইম করে অতিরিক্ত পান মাত্র ২৪০ টাকা। মাসিক বেতন প্রায় ৯ হাজার টাকা—যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন বলেই জানান তিনি।“পরিশ্রম বেশি হলেও ওভারটাইম করতেই হয়। না হলে পরিবার চালানো সম্ভব না,” বলেন সারোয়ার।পরিবার থেকে দূরে ঈদতিন মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে দেখা হয়নি তাঁর। স্ত্রী, ৯ মাস বয়সী সন্তান, মা-বাবা ও ভাইবোন গ্রামেই থাকেন। ঈদ উপলক্ষে তিনি টাকা পাঠালেও পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ হয় না।“আগে কিছু বলত না, এখন ছেলে হওয়ার পর স্ত্রী চায় একসঙ্গে ঈদ করতে,”—কথাগুলো বলার সময় কণ্ঠে ছিল চাপা কষ্ট।একই চিত্র সহকর্মীদের মাঝেওশুধু সারোয়ার নন, তাঁর সহকর্মীদের অবস্থাও প্রায় একই। কেউ কেউ বছরে একটি ঈদে ছুটি পান, আবার কেউ নিশ্চিত নন আদৌ ছুটি পাবেন কি না। নতুন যোগ দেওয়া কর্মীরাও ঈদের দিন দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন।এক সহকর্মী বলেন, “কর্মকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। দায়িত্বই আগে।”ঈদেও সচল জরুরি সেবাসমাজের নানা গুরুত্বপূর্ণ সেবা চালু রাখতে ঈদের দিনও কাজ করে যাচ্ছেন অনেকেই। ট্রাফিক পুলিশ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, এমনকি পরিবহন চালকরাও ছুটিহীন দায়িত্ব পালন করেন।একজন চিকিৎসক জানান, রোগীদের সেবা দেওয়া তাঁদের প্রথম দায়িত্ব। ঈদের দিনেও হাসপাতালে চিকি, সংবাদকর্মীরাও ব্যস্ত থাকেন তথ্যপ্রবাহ সচল রাখতে। তাঁদের কাছে ঈদ মানে কাজ ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা।ত্যাগের মধ্যেই উৎসবের অর্থঈদের আনন্দ সবার জন্য সমান নয়—এ বাস্তবতাই সামনে এনে দেয় সারোয়ারদের গল্প। পরিবার থেকে দূরে থেকেও দায়িত্ব পালন করে তাঁরা নিশ্চিত করেন অন্যদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা।সারোয়ার হোসেনের মতো হাজারো মানুষ নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন, যাঁদের ত্যাগের ওপরই নির্ভর করছে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। হয়তো আগামী কোনো ঈদে তিনি ফিরবেন পরিবারের কাছে—এই আশাতেই কাটছে তাঁর দিন।
